জীবন জীবিকার তথ্যের জন্য টেক্সট ও ছবি গুরুত্বপূর্ণ হলেও যথেষ্ট নয়। গবেষণায় দেখা গেছে, সচল চিত্র (ভিডিও ও এনিমেশন)এক্ষেত্রে র্কাযকর ভূমিকা রাখে। বিশেষকরে নিরক্ষর মানুষের জন্য এর বিকল্প নেই।যারা তৃণমূল পর্যায়ে তথ্যসেবা নিয়ে কাজ করছেন, তারা এই সচলচিত্রগুলি ব্যবহার করে মানুষের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখতে পারেন। এমসিসি ডি.নেটের গবেষণা সহায়তায় জীবন জীবিকার বিভিন্ন বিষয়ে সচল চিত্র (ভিডিও ও এনিমেশন)তৈরী শুরু করেছে।সচলচিত্রগুলি আপনি ডাউনলোড করতে পারেন।সিডিতে সচলচিত্রগুলি পেতে যোগাযোগ করুন: আশরাফ আবির, এমসিসি, ০১৭১৬৪৮৪৮৪২।
মনি একজন গ্রামের মেয়ে৷ কিন্তু গ্রামে থাকলেও চিন্তা চেতনায় গ্রামের আর দশটা সাধারণ মানুষের চেয়ে আধুনিক৷ মনি বোঝে শুধুমাত্র সঠিক তথ্যের অভাবে যেকোন স্থানের উন্নয়ন কতখানি স্থবির হয়ে যেতে পারে৷ বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো তৃতীয় বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোর গ্রামগুলো যেখানে অশিক্ষা আর কুসংস্কারের আধিপত্য সেখানে সঠিক তথ্যের কোন বিকল্প নেই৷ তাছাড়া সমগ্র বিশ্ব যেখানে তথ্য ও প্রযুক্তিতে প্রতিনিয়ত এগিয়ে চলেছে সেখানে তথ্যের পাশাপাশি প্রযুক্তির ব্যবহারের সাথে পরিচয় ঘটানোও গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জন্য অতীব জরুরী৷
এই দায়িত্ববোধ থেকে মনি পল্লীতথ্য কেন্দ্রের সাহায্যে গ্রামের মানুষকে তথ্য ও প্রযুক্তির সাথে পরিচয় ঘটানোর দায়িত্ব কাধে তুলে নিয়েছে৷ এই মানুষগুলোর প্রতি মনির মমতার কোন শেষ নেই৷ সে বোঝে যে, নতুন কোন কিছুই গ্রামীণ মানুষগুলো সহজভাবে নিতে পারেনা৷
বৃহত্তর ময়মনসিংহের জামালপুর ও শেরপুরসহ আরও কয়েকটি জেলার গ্রাম ও শহরের অধিকাংশ মহিলা সূচীকর্মে পারদর্শী৷ সুঁই-সুতার মাধ্যমে কাপড়ের উপরে তাঁরা ফুটিয়ে তোলেন নিখুঁত নকশা৷ দারিদ্রতার কারণে অক্ষর-জ্ঞানশূন্য হয়েও সংসারের আর্থিক স্বচ্ছলতায় এরা ব্যপক অবদান রাখছেন৷ এই অঞ্চলের প্রায় ৪০টি গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে একই চিত্র৷
এখানে প্রতিটি গ্রামেই একাধিক মহিলা প্রতিনিধি আছেন৷ নিজেরা সেলাইয়ের কাজ করার পাশাপাশি এই প্রতিনিধিরা এলাকার অন্য মহিলাদের করা নকশার কাজগুলো শহরের শোরুমে নিয়ে আসেন এবং সেখান থেকে আবার সবার জন্য নতুন কাজের অর্ডার নিয়ে যান গ্রামে৷ এই শোরুমগুলোর মালিকও অধিকাংশই মহিলা৷ এরাই আবার স্থানীয় ক্রেতাদের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি ঢাকাসহ বড় বড় শহরগুলোর ক্রেতা বা শোরুমগুলোতে প্রতিনিধিদের সংগ্রহ করে আনা কাজগুলো বিক্রি করেন৷ এভাবেই চলছে অর্থনৈতিকক্ষেত্রে এই এলাকার মেয়েদের সক্রিয় অংশগ্রহণ৷
বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের পিছিয়ে পরা তরুণ শিক্ষার্থীদের ইংরেজী দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ইংরেজী শিক্ষা উপকরণ হিসিবে ডি.নেট, Computer Teaches Everyday English(CTEE) প্রকল্পের আওতায় একটি সহজবোধ্য সিডি তৈরী করছে৷ পাশাপাশি সাধারণ ইংরেজী শিক্ষকরাও যাতে এই ভিনদেশী ভাষাটি শিক্ষণের ক্ষেত্রে প্রয়োজনে এই শিক্ষাপোকরণটির সহায়তা নিতে পারেন সেইদিকেও লক্ষ্য রাখা হয়েছে৷ ইংরেজী ভাষা আয়ত্ত করার সাথে সাথে কম্পিউটারে দক্ষতার বৃদ্ধি করাই এই সিডি'র উদ্দেশ্য৷এছাড়া ইংরেজী ভাষা আয়ত্ত করার সাথে সাথে কম্পিউটারে দক্ষতা বৃদ্ধি করাও এই সিডি'র একেটি অন্যতম উদ্দেশ্য৷ সিডিটি তৈরীতে আর্থিকভাবে সহায়তা প্রদান করছে Volunteer Association for Bangladesh in New Jersey (VABNJ).