<?xml version="1.0" encoding="utf-8"?>
<!-- generator="FeedCreator 1.7.2" -->
<rss version="2.0">
	<channel>
		<title>Joomla! powered Site</title>
		<description>Joomla! site syndication</description>
		<link>http://www.jeeon.com.bd</link>
		<lastBuildDate>Tue, 07 Sep 2010 02:45:26 +0100</lastBuildDate>
		<generator>FeedCreator 1.7.2</generator>
		<image>
			<url>http://www.jeeon.com.bd/images/M_images/joomla_rss.png</url>
			<title>Powered by Joomla!</title>
			<link>http://www.jeeon.com.bd</link>
			<description>Joomla! site syndication</description>
		</image>
		<item>
			<title>লবণ কম খান, সুস্থ থাকুন</title>
			<link>http://www.jeeon.com.bd/index.php?option=com_content&amp;task=view&amp;id=1319&amp;Itemid=603</link>
			<description>
অধিক লবণ গ্রহণ স্বাস্থ্যের ওপর যথেষ্ট ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। অতিরিক্ত লবণ গ্রহণের ফলে আমাদের রক্তচাপ বৃদ্ধি পায় এবং মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ (স্ট্রোক), হার্ট অ্যাটাক, কিডনি ও হার্ট ফেইলিউরের ঝুঁকি বেড়ে যায়। বিশ্বের যেসব জনগোষ্ঠী লবণ কম খায় তাদের শতকরা ৮০ ভাগের উচ্চ রক্তচাপ থাকে না। পক্ষান্তরে যেসব জায়গায় মানুষ লবণ বেশি গ্রহণ করে, যেমন জাপানে উচ্চ রক্তচাপ মহামারি আকারে বিস্তার লাভ করেছে; সেখানকার প্রাপ্তবয়স্কদের প্রায় অর্ধেকই উচ্চ রক্তচাপের শিকার। অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ করলে উচ্চ রক্তচাপ ছাড়াও অস্টিওপোরোসিস, পাকস্থলির ক্যান্সার, শারীরিক স্থূলতা হতে পারে এবং অ্যাজমা থাকলে এর উপসর্গগুলো বৃদ্ধি পায়।

কীভাবে লবণ কম গ্রহণ করা যায়
সদিচ্ছা থাকলেই অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ থেকে বিরত থাকা সম্ভব। লবণ ও সোডিয়াম কম গ্রহণের জন্য যা করণীয়-

	খাবারের সঙ্গে আলাদাভাবে (পাতে) লবণ খাবেন না।
	টেবিলে লবণদানি রাখবেন না।
	রান্না করার সময় খাবারে অল্প লবণ ব্যবহার করুন।
	ফাস্টফুড, রেস্টুরেন্ট ও ক্যান্টিনের খাবারে প্রচুর লবণ থাকে, এ জন্য এসব খাবার কম খাবেন।
	টিনজাত স্যুপ, সবজি, মাংস-মাছ, প্রক্রিয়াজাত পনির ও মাংস, হিমায়িত খাবার, শুঁটকি মাছ যথাসম্ভব এড়িয়ে চলুন।
	খাদ্য সংরক্ষণ করার জন্য লেবুর রস, ভিনেগার, কাঁচা রসুন ও মসলা ব্যবহার করুন।
	খাদ্য সুস্বাদু করার জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন দ্রব্য যেমন-কেচাপ, সয়াসস, সালাদ বানানোর উপকরণ, আচার কম ব্যবহার করুন।
	কাঁচা ফলমূল বা শাক-সবজি খাওয়ার সময় লবণ দিয়ে খাবেন না।
	লবণবিহীন ক্র্যাকার্স, পপকর্ন ও বাদাম খান।
	ঘরে-বাইরে খাদ্য নির্বাচনের আগে কম লবণ ও সোডিয়াম কম সমৃদ্ধ খাবারগুলো নির্বাচন করুন।
	আপনার সন্তানকে শৈশব থেকেই কম লবণযুক্ত খাদ্য খাওয়ানোর অভ্যাস করুন।
	হোটেল বা দোকানে &amp;lsquo;ধূমপান নিষেধ&amp;rsquo;-এর পাশাপাশি &amp;lsquo;অতিরিক্ত লবণ খাবেন না&amp;rsquo; লিখে রাখুন।


বাইরের খাবারের ক্ষেত্রে আমাদের উচিত এমন নির্দেশনা দেওয়া, যেন খাদ্যে লবণের মাত্রা কম থাকে। আমাদের দেশের খাদ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর এ ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা দরকার, যাতে তারা তাদের খাবারের গায়ে ও মেন্যুতে লবণ ও সোডিয়ামের পরিমাণ লিখে রাখে।
আমাদের দেশে খুব একটা গবেষণা না হলেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাবে প্রতিদিন একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি পাঁচ গ্রাম (এক চা-চামচ) বা তারও কম লবণ গ্রহণ করতে পারেন। অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য এ পরিমাণ অবশ্যই আরও কম হতে হবে।
মানুষ অভ্যাসের দাস। আমরা যদি ধীরে ধীরে বাড়িতে কম লবণ দিয়ে খাদ্য তৈরি করি এবং আলগা লবণ না খাই, লবণাক্ত খাবার এড়িয়ে চলি, কম লবণযুক্ত খাবার কেনা শুরু করি, তাহলে সেটাই অভ্যাস হয়ে যাবে। আসুন, সবাই &amp;lsquo;লবণ কম খাব, সুস্থ থাকব&amp;rsquo;-এই ্লোগানে উদ্বুদ্ধ হই।


সূত্রঃ হাইপারটেনশন কমিটি অব ন্যাশনাল
হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ।



</description>
			<category>খবর - জীয়ন সংবাদ</category>
			<pubDate>Sat, 18 Jul 2009 10:37:12 +0100</pubDate>
		</item>
		<item>
			<title>মিথ্যা মামলার আইনি প্রতিকার</title>
			<link>http://www.jeeon.com.bd/index.php?option=com_content&amp;task=view&amp;id=1326&amp;Itemid=603</link>
			<description>

মাদারীপুর অর্পিত সম্পত্তি দপ্তরের তহশিলদার কপিলকৃষ্ণ গোলদার মাদারীপুর প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফরিদা বেগমসহ ছয়জনকে আসামি করে একটি সিআর মামলা দায়ের করেন (সিআর মামলা নম্বর ৫০৯/২০০০)। তহশিলদার কপিলকৃষ্ণ গোলদার আসামিদের বিরুদ্ধে এই মর্মে অভিযোগ করেন যে তর্কিত সম্পত্তি অর্পিত সম্পত্তি হওয়া সত্ত্বেও ওই সম্পত্তি গ্রাস করার লক্ষ্যে আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে তাঁদের পক্ষে জমিটি ক্রয়ের একটি জাল দলিল তৈরি করেছেন, যা দণ্ডবিধির ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ধারায় দণ্ডযোগ্য অপরাধ।
বিজ্ঞ প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আসামি ফরিদা বেগমের স্বামীসহ (২ নম্বর আসামি আ&amp;middot; মজিদ মিয়া) ছয়জন আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ আমলে নেন। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দায়ের করেন। ১ নম্বর আসামি (ফরিদা বেগম) এবং ৩ নম্বর আসামি ও অন্যরা স্বেচ্ছায় বিজ্ঞ আদালতে হাজির হলে তাঁদের হাজতে প্রেরণ করা হয়। এর পরপরই আসামি ফরিদা বেগমের স্বামী আ&amp;middot; মজিদ মিয়া (২ নম্বর আসামি) মারা যান। মানবিক কারণে ফরিদা জামিন পান।
এরপর বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারাধীন উপরিউক্ত সিআর মামলার (নম্বর ৫০৯/২০০০) সামগ্রিক কার্যক্রমকে চ্যালেঞ্জ করে আসামিরা হাইকোর্ট বিভাগে একটি রিভিশনাল পিটিশন দায়ের করেন। তাঁদের যুক্তি, তাঁরা আইনগতভাবেই তর্কিত সম্পত্তি আইনানুগ মালিকের কাছ থেকে অর্জন করেছেন। এমনকি দেওয়ানি আদালত থেকে তাঁদের মালিকানা প্রাপ্তির ডিক্রিও অর্জন করেছেন। এ-সংক্রান্ত দলিলপত্রও তাঁরা পিটিশনের সঙ্গে সংযুক্ত করেন। (৫৯ ডিএলআর, ৩২৮)
হাইকোর্ট বিভাগের রায়ঃ সরকারি কর্মচারী কপিলকৃষ্ণ গোলদার দণ্ডবিধির ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধের অভিযোগে ফরিদা বেগমসহ অন্যদের বিরুদ্ধে যে সিআর মামলাটি (মামলা নম্বর ৫০৯/২০০০) দায়ের করেছিলেন, তা আইন অনুযায়ী চলতে পারে না। কিন্তু এ রকম একটি ভ্রান্ত মামলার কারণে ওই মামলার আসামি ফরিদা বেগমের জীবনে মানবিক বিপর্যয় নেমে এসেছিল। ফরিদা বেগম হাজতে থাকাকালে তাঁর স্বামী ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেছিলেন। একজন সরকারি কর্মচারী, যাঁর মূল দায়িত্ব যথোপযুক্ত আইনানুগ প্রক্রিয়ায় অর্পিত সম্পত্তি রক্ষা করা, খেয়ালের বশে ফৌজদারি মামলা দায়ের করে কোনো নাগরিকের অপূরণীয় ক্ষতি করা তাঁর দায়িত্ব নয়। এরূপ অবহেলা ও ঔদাসীন্য দণ্ডবিধির ২১১ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। ওই অভিযোগে কপিলকৃষ্ণ গোলদারের বিরুদ্ধে ফরিদাসহ অন্য ভুক্তভোগীরা মামলা করতে পারেন। তাঁরা আলাদাভাবে ক্ষতিপূরণের জন্যও মামলা দায়ের করতে পারেন।
আমার ব্যক্তিগত অনুমান, আমাদের দেশে দায়ের করা ফৌজদারি মামলাসমূহের শতকরা প্রায় ৭০ ভাগ মামলা উল্লিখিত (৫৯ ডিএলআর, ৩২৮) মামলাটির মতো। আমাদের দেশের গরিব মানুষদের হয়রানি করার জন্য মিথ্যা অভিযোগে দায়ের করা হয়ে থাকে। সবার পক্ষে ফরিদা বেগমের মতো উচ্চ আদালতে যাওয়া সম্ভব হয় না। নানা প্রতিকূলতার কারণে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ২১১ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধের অভিযোগ এনে পাল্টা মামলা করাও সম্ভব হয় না। এ অবস্থায় কেবল সংশ্লিষ্ট আদালতই পারে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারা অনুযায়ী মিথ্যা অভিযোগ আনয়নকারীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে।
ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশঃ মিথ্যা নালিশ আনয়নকারী সব ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারি কার্যবিধি ২৫০ ধারা অনুযায়ী মিথ্যা মামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ করা যায়। কোনো পুলিশ কর্মকর্তা আমলযোগ্য নয়, এ রকম কোনো মামলায় মিথ্যা প্রতিবেদন দিলে তাঁর বিরুদ্ধেও এ ধারা অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ প্রদান করা যায়।
রিভিশনঃ দায়রা জজ আদালত ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫-এর ৪৩৯(এ) ধারা অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ রিভিশন করতে পারেন।
আপিলঃ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০(৩) ধারা অনুযায়ী, দায়রা জজ আদালতে আপিল করা যায়।
আমাদের দেশের বিজ্ঞ আদালতসমূহ যদি সতর্কতার সঙ্গে নিয়মিতভাবে মিথ্যা মামলাসমূহের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারা অনুযায়ী মিথ্যা অভিযোগ আনয়নকারী পক্ষকে কারাদণ্ড ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ প্রদান করেন, তাহলে প্রথম দিকে আদালতে কাজের পরিধি বাড়লেও একটা পর্যায়ে মিথ্যা মামলা দায়েরের সংখ্যা দ্রুতগতিতে হ্রাস পাবে। ফলে একদিকে যেমন স্তূপীকৃত মামলার সংখ্যা হ্রাস পাবে, অন্যদিকে মিথ্যা মামলায় ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ অন্তত তাদের আর্থিক ক্ষতি কিছুটা হলেও পুষিয়ে নিতে পারবে।


 


অমিত কুমার দে


জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, বরগুনা


তথ্যসূত্র : prothom-alo. 

</description>
			<category>খবর - জীয়ন সংবাদ</category>
			<pubDate>Sat, 18 Jul 2009 11:17:41 +0100</pubDate>
		</item>
		<item>
			<title>স্ট্রবেরীর চাষ</title>
			<link>http://www.jeeon.com.bd/index.php?option=com_content&amp;task=view&amp;id=1298&amp;Itemid=603</link>
			<description>
 সূচনা কথা

ইংরেজী নামঃ Strawberry
বৈজ্ঞানিক নামঃ Fragaria ananasa
পরিবারঃ Rosaceae 


স্ট্রবেরী একটি  গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ। আকর্ষণীয় বর্ণ, গন্ধ ও উচ্চ
পুষ্টিমানের জন্য স্ট্রবেরী অত্যন্ত সমাদৃত। এটি একটি বহু বর্ষজীবি ফল
গাছ। ফল হিসেবে সরাসরি খাওয়া ছাড়াও বিভিন্ন খাদ্যের সৌন্দর্য ও সুগন্ধ
বৃদ্ধিতেও ইহা ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। অপেক্ষাকৃত স্বল্প খরচে এর চাষ করা
সম্ভব হলেও এটি বেশ উচ্চমূল্যে বিক্রয় হয় বিধায় এর চাষ খুবই লাভজনক। গুল্ম
জাতীয় এ ফলগাছটি খুব ছোট বিধায় টবে বাড়ির ছাদ বা বারান্দায় স্ট্রবেরী
উৎপাদন সম্ভব এবং আমাদের দেশে বর্তমানে এর প্রতি সকলের অন্যরকম একটি
আকর্ষন পরিলক্ষিত হচ্ছে।


স্ট্রবেরীর জাত

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক
অবমুক্তায়িত জাত বারি স্ট্রবেরী-১, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক প্রচলিত
জাত সমূহ রাবি-১, রাবি-২ এবং রাবি-৩  এবং মর্ডান হর্টিকালচার সেন্টার,
নাটোর কর্তৃক প্রচলিত জাত সমূহ মর্ডান স্ট্রবেরী-১, মর্ডান স্ট্রবেরী- ২,
মর্ডান স্ট্রবেরী- ৩, মর্ডান স্ট্রবেরী- ৪ (Camarosa),  মর্ডান স্ট্রবেরী- ৫(Festival) আমাদের দেশে চাষযোগ্য জাত।


আমাদের দেশের উপযোগী জাত

বারি স্ট্রবেরী-১ বাংলাদেশের
সর্বত্র চাষোপযোগী অবমুক্তায়িত একটি উচ্চফলনশীল জাত। গাছের গড় উচ্চতা ৩০
সে.মি. এবং বিস্তার ৪৫-৫০ সে.মি.। সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে রোপণ করা
হলে নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে গাছে ফুল আসতে শুরু করে এবং ডিসেম্বর থেকে
মার্চ পর্যন্ত ফল আহরণ করা যায়। গাছ প্রতি গড়ে ৩২ টি ফল হয়, যার মোট গড়
ওজন ৪৫০ গ্রাম। হেক্টর প্রতি ফলন ১০-১২ টন। হৃৎপিন্ডাকৃতির ফল ক্ষুদ্র
থেকে মধ্যম আকারের যার গড় ওজন (১৪ গ্রাম)। পাকা ফল আকর্ষণীয় টকটকে লাল
বর্ণের। ফলের ত্বক নরম ও ঈষৎ খসখসে। ফলের শতভাগ ভক্ষণযোগ্য। স্ট্রবেরীর
বৈশিষ্ট্যপূর্ণ সুগন্ধযুক্ত ফলের স্বাদ টক-মিষ্টি (টিএসএস ১২%)। জাতটি
পর্যাপ্ত সরু লতা (Runner) ও চারা  উৎপাদন করে বিধায় এর বংশবিস্তার সহজ।


উপযুক্ত পরিবেশ

স্ট্রবেরী মূলত মৃদু শীতপ্রধান অঞ্চলের
ফসল। গ্রীষ্মায়িত জাত কিছুটা উচ্চতাপ সহিষ্ণু। দিন ও রাতে যথাক্রমে ২০-২৬
ডিগ্রী সে: ও ১২-১৬ ডিগ্রী  সে. তাপমাত্রা গ্রীষ্মায়িত জাত সমূহের জন্য
প্রয়োজন। ফুল ও ফল আসার সময় শুষ্ক আবহাওয়া আবশ্যক। বাংলাদেশের আবহাওয়ায়
রবি মৌসুম স্ট্রবেরী চাষের উপযোগী। বৃষ্টির পানি জমে না এ ধরনের
সুনিষ্কাশিত উর্বর দো-আঁশ থেকে বেলে-দোআঁশ মাটি স্ট্রবেরী চাষের জন্য
উত্তম।


চারা উৎপাদন
স্ট্রবেরী রানারের মাধামে বংশ বিস্তার করে থাকে।
তাই পূর্ববর্তী বছরের গাছ নষ্ট না করে জমি থেকে তুলে জৈব পদার্থ সমৃদ্ধ
হালকা ছায়াযুক্ত স্থানে রোপণ করতে হবে। উক্ত গাছ হতে   উৎপন্ন রানারের
পর্বসন্ধির নীচ থেকে যখন মূল বের হবে, তখন রানারটি মাতৃগাছ থেকে বিচ্ছিন্ন
করে ভালভাবে মিশানো গোবরমাটি (১:১) দিয়ে ভরা পলিথিন ব্যাগে (৪  x ৩ )
লাগাতে হবে এবং তা হালকা ছায়াযুক্ত নার্সারীতে সংরক্ষণ করতে হবে। অতিরিক্ত
বৃষ্টি হ&amp;rsquo;তে রক্ষার জন্য বর্ষা মৌসুমে চারার উপর পলিথিনের ছাউনি দিতে হবে।
রানারের মাধ্যমে বংশ বিস্তার করা হলে স্ট্রবেরীর ফলন ক্ষমতা ধীরে ধীরে
হ্রাস পেতে থাকে। তাই ফলন ক্ষমতা অক্ষুন্ন রাখার জন্য তিন বছর পরপর টিস্যু
কালচারের মাধ্যমে উৎপাদিত চারার রানার থেকে বংশ বিস্তার করা উত্তম।


জমি প্রস্তুত ও চারা রোপণ
স্ট্রবেরী উৎপাদনের জন্য কয়েকবার চাষ
ও মই দিয়ে এবং আগাছা, বিশেষ করে বহু বর্ষজীবি আগাছা অপসারণ করে উত্তমরুপে
জমি তৈরি করতে হবে। চারা রোপণের জন্য বেড পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে। এ জন্য
১ মিটার প্রশস্ত এবং ১৫-২০ সে.মি. উঁচু বেড তৈরি করতে হবে। দুটি বেডের
মাঝে ৫০ সে.মি. নালা রাখতে হবে। প্রতি বেডে ৫০ সে.মি. দূরত্বে দুই সারিতে
৫০ সে.মি. দূরে দূরে চারা রোপণ করতে হবে। বাংলাদেশের আবহাওয়ায় ভাদ্রের
মাঝামাঝি থেকে আশ্বিন মাস (সেপ্টেম্বর থেকে মধ্য অক্টোবর) স্ট্রবেরীর চারা
রোপণের উপযুক্ত সময় ।



সারের পরিমাণ ও প্রয়োগ পদ্ধতিঃ
গুনগত মানসম্পন্ন উচ্চফলন
পেতে হলে স্ট্রবেরীর জমিতে নিয়মিত পরিমিত মাত্রায় সার প্রয়োগ করতে হবে।
নিম্নের ছকে বিভিন্ন সারের হেক্টর প্রতি পরিমাণ দেখানো হলঃ 


	
		
			সারের নাম 
			
			
			পরিমাণ 
			
			
			
			
			সারের নাম 
			
			
			
			
			পরিমাণ 
			
			
		
		
			
			
			পঁচা গোবর 
			
			
			
			
			৩০ টন/হে.        
			
			
			
			
			এমপি 
			
			
			
			
			২২০ কেজি/হে. 
			
			
		
		
			
			
			ইউরিয়া 
			
			
			
			
			২৫০ কেজি/হে. 
			
			
			
			
			জিপসাম 
			
			
			
			
			১৫০ কেজি/হে. 
			
			
		
		
			
			
			টিএসপি 
			
			
			
			
			২০০    কেজি/হে. 
			
			
			
			
			জিংক    সালফেট 
			
			
			
			
			২.৫ কেজি/হে.
			
			
		
	


শেষ
চাষের সময় সম্পূর্ণ গোবর, টিএসপি, জিপসাম, জিংক সালফেট ও অর্ধেক পরিমাণ
এমপি সার জমিতে ছিটিয়ে মাটির সাথে ভালভাবে মিশিয়ে দিতে হবে। ইউরিয়া ও
অবশিষ্ট এমপি সার চারা রোপণের ১৫ দিন পর থেকে ১৫-২০ দিন পরপর ৪-৫ কিস্তি
উপরি প্রয়োগ করতে হবে। 
স্ট্রবেরী চাষে প্রচুর পানির প্রয়োজন হয়।
জমিতে রসের অভাব দেখা দিলে পর্যাপ্ত পানি সেচ দিতে হবে। স্ট্রবেরী
জলাবদ্ধতা মোটেই সহ্য করতে পারে না। তাই বৃষ্টি বা সেচের অতিরিক্ত পানি
দ্রুত নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করতে হবে।


সরাসরি মাটির সংস্পর্শে এলে স্ট্রবেরীর ফল পঁচে নষ্ট হয়ে যায়। এ জন্য চারা
রোপনের ২০-২৫ দিন পর স্ট্রবেরীর বেড খড় বা কাল পলিথিন দিয়ে ঢেকে দিতে হবে।
খড়ে যাতে উই পোকার আক্রমন না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। জমি সবসময়
আগাছামুক্ত রাখতে হবে। গাছের গোড়া হতে নিয়মিতভাবে রানার বের হয়, যা ফল
উৎপাদনের অন্তরায়। এজন্য উক্ত রানার সমূহ নিয়মিত কেটে ফেলতে হবে। রানার
কেটে না ফেললে গাছের ফুল ও ফল উৎপাদন বিলম্বিত হয় এবং হ্রাস পায়।



স্ট্রবেরীর রোগ ও প্রতিকার

পাতায়  দাগপড়া রোগঃ
কোন কোন সময়, বিশেষত কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ায় পাতায় বাদামী রং এর দাগ
পরিলক্ষিত হয়। এ রোগের আক্রমন হলে ফলন এবং ফলের গুনগত মান হ্রাস পায়। 

প্রতিকারঃ
 রিডোমিল গোল্ড নামক ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানির সাথে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে  ১০-১৫ দিন পরপর ২-৩ বার স্প্রে করে সুফল পাওয়া যায়।
 
ফল পঁচা রোগঃ 
এ রোগের আক্রমণে ফলের গায়ে জলে ভেজা বাদামী বা কালো দাগের সৃষ্টি হয়। দাগ দ্রুত  বৃদ্ধি পায় এবং ফল খাওয়ার অনুপযোগী হয়ে যায়। 

প্রতিকারঃ
ফল পরিপক্ক হওয়ার পূর্বে নোইন ৫০  ডব্লিউ পি অথবা ব্যাভিস্টিন ডিএফ নামক
ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানির সাথে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে ৮-১০ দিন পর পর
২-৩ বার স্প্রে করতে হবে। 

ভারটিসিলিয়াম উইল্টঃ
এ রোগে আক্রানত্গাছ হঠাৎ করে দূর্বল ও বিবর্ণ হয়ে পড়ে। আক্রমণ বেশী হলে
গাছ বাদামী বর্ণ ধারণ করে এবং মারা যায়। সাধারনতঃ জলাবদ্ধ জমিতে এ রোগের
আক্রমণ বেশী হয়। 

প্রতিকারঃ 
জমি শুষ্ক রাখতে হবে। পলিথিন মাল্&amp;zwnj;চ ব্যবহার করলে তা তুলে ফেলতে হবে। কপার
জাতীয় ছত্রাকনাশক যেমন বর্দ্দোমিক্সার (১:১:১০), কুপ্রাভিট অথবা কপার
অক্সিক্লোরাইড প্রতি লিটার পানির সাথে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে ৮-১০ দিন পর পর
২-৩ বার গাছের গোড়া ও মাটি ভালভাবে ভিজিয়ে স্প্রে করতে হবে। 

পাখিঃ
বিশেষ করে বুলবুলি ও শালিক স্ট্রবেরী ফলের সবচেয়ে বড় শত্রু। ফল আসার পর সম্পূর্ণ  পরিপক্ক হওয়ার পূর্বেই পাখির উপদ্রব শুরু হয়। 

প্রতিকারঃ
ফুল আসার পর সম্পূর্ণ বেড জাল দ্বারা ঢেকে দিতে হবে যাতে পাখি ফল খেতে না পারে। 
স্ট্রবেরীর গাছ প্রখর সৌর-তাপ এবং ভারী বর্ষণ সহ্য করতে পারেনা। এজন্য
মার্চ-এপ্রিল মাসে হালকা ছায়ার ব্যবস্থা করতে হবে। নতুবা ফল আহরণের পর
মাতৃগাছ তুলে টবে রোপণ করে ছায়ায় রাখতে হবে। ফল আহরণ শেষ হওয়ার পর
সুস্থ্য-সবল গাছ তুলে পলিথিন ছাউনির নীচে রোপণ করলে মাতৃ গাছকে খরতাপ ও
ভারী বর্ষণের ক্ষতি থেকে রক্ষা করা যাবে। মাতৃ গাছ থেকে উৎপাদিত রানার
পরবর্তি সময়ে চারা হিসেবে ব্যবহার করা হয়।


ভাদ্র মাসের মাঝামাঝি সময়ে (সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে) রোপণকৃত বারি
স্ট্রবেরী-১ এর ফল সংগ্রহ পৌষ মাসে আরম্ভ হয়ে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত
(ডিসেম্বর থেকে মার্চ) চলে। ফল পেকে লাল বর্ণ ধারণ করলে ফল সংগ্রহ করতে
হয়। স্ট্রবেরীর সংরড়্ণ কাল খুবই কম বিধায় ফল সংগ্রহের পরপর তা টিস্যু
পেপার দিয়ে মুড়িয়ে প্লাসস্টিকের ঝুড়ি বা ডিমের ট্রেতে এমনভাবে  সংরক্ষণ
করতে হবে যাতে ফল গাদাগাদি 
অবস্থায় না থাকে। ফল সংগ্রহের পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বাজার জাত করতে হবে।
স্ট্রবেরীর সংরক্ষণ গুন ও পরিবহন সহিষ্ণুতা কম হওয়ায় বড় বড় শহরের কাছাকাছি
এর চাষ করা উত্তম।


 তথ্যসূত্র : www.agrobangla.com


 


 

</description>
			<category>খবর - জীয়ন সংবাদ</category>
			<pubDate>Mon, 22 Jun 2009 19:59:35 +0100</pubDate>
		</item>
		<item>
			<title>সোয়াইন ফ্লু : নতুন রোগের হানা</title>
			<link>http://www.jeeon.com.bd/index.php?option=com_content&amp;task=view&amp;id=1284&amp;Itemid=603</link>
			<description>
সোয়াইন ফ্লু : নতুন রোগের হানা
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
পরিচালক, ল্যাবরেটরি সার্ভিসেস, বারডেম
অধ্যাপক, ইব্যাহিম মেডিকেল কলেজ
---------------------------------------
লেখাটি যখন লিখছি তখন টিভিতে খবর হচ্ছে, মেক্সিকোতে বাংলাদেশি একজন লোকেরও মৃত্যু হয়েছে। শোকাহত হলাম। এদিকে খবর এসেছিল আগে, মেক্সিকোর বাইরে সোয়াইন ফ্লু প্রাণ কেড়ে নিয়েছে আমেরিকার টেক্সাসের একটি ছোটট্ট বালকের। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সোয়াইন ফ্লু মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছে, সতর্কতার মাত্রা পাঁচ। মেক্সিকোতে আরও পাঁচ দিন জনগণকে ঘরে থাকতে বলা হয়েছে।


কানাডা, অষ্ট্রিয়া, নিউজিল্যান্ড, ইসরায়েল, স্পেন, ব্রিটেন, জার্মানি, নেদারল্যান্ড, ঘানা- সব দেশেই এ রোগের প্রাদুর্ভাবের খবর মিলছে। আটজনের মৃত্যু যে এ রোগে, তা প্রতিপন্ন হয়েছে। আমেরিকায় হয়েছে একজনের মৃত্যু, সংক্রমণ ঘটেছে ৯১ জনের; নিউজিল্যান্ডে ১৩ জন, কানাডায় ১৯ জন, ব্রিটেনে ৫ জন, স্পেনে ১০, জার্মানিতে তিনজনের ঘটেছে সংক্রমণ। ঘটেছে সংক্রমণ কোস্টারিকা ও পেরুতে। তবে এ পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক মিস্&amp;zwnj;চ্যান বলেন, পৃথিবী এখন ইতিহাসের যেকোনো সময়ের চেয়ে ফ্লু মহামারি ঠেকাতে বেশি প্রস্তুত। সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য হাত ধোয়ার মতো সহজ স্বাস্থ্যবিধি পালন জরুরি। এ পরিস্থিতে শান্ত থেকে জনসচেনতা বাড়ানো প্রধান কাজ। এই প্রাদুর্ভাবের উৎস খোঁজা হচ্ছে এবং সে দেশের পূর্বাঞ্চলে একটি শূকরের খামার থেকে যে এর উদ্ভব, এমনটি মনে করা হচ্ছে। সোয়াইন ফ্লু শ্বাসযন্ত্রের একটি রোগ। শূকরকে সংক্রমিকত করে এমন একটি টাইপ-এ ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসও রয়েছে এর মূলে। এর রয়েছে অনেক ধরন এবং সংক্রমণে পরিবর্তন ঘটছে নিরন্তর।


এ খবর পাওয়ার আগ পর্যন্ত সোয়াইন ফ্লু মানুষের হয়েছে জানা ছিল না, তবে এই নতুন ফ্লু অবশ্যই মানুষের শরীরে হানা দিয়েছে এবং এও প্রমাণ মিলেছে যে হাঁচি-কাশির মাধ্যমে মানুষ থেকে মানুষে এর বিস্তার ঘটছে।


কী এমন নতুন খবর? বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা দৃঢ়ভাবে বলছে, অন্তত কয়েকটি এমন ফ্লু সংক্রমণের পেছনে রয়েছে ইনফ্লুয়েঞ্জা টাইপের এইচ১এন১ প্রজাতির এমন রূপ, যা একেবারে নতুন। আগে কখনো দেখা যায়নি। অথচ সোয়াইন ফ্লু ঋতুকালীন ফ্লুর প্রাদুর্ভাবের মতোই, তবে এ থেকে মানুষের মৃত্যু হয়েছে মেক্সিকো ও আমেরিকায়ও। এইচ১এন১ প্রজাতি, যা ১৯১৮ সালে ফ্লু মহামারি ঘটিয়েছিল। এর একটি নতুন রূপ ঘটিয়েছে এই প্রাদুর্ভাব। তবে বিশ্বজুড়ে মহামারির মতো ঘটনা ঘটবে এখন, তা বলা যাচ্ছে না। এর যদিও চিকিৎসা রয়েছে, কবে প্রতিরোধক কোনো টিকা নেই। ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি, যেমন হাত ধোয়া এবং মুখ-নাক ঢেকে হাঁচি ও কাশি দেওয়া-এগুলো প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজনীয় অভ্যাস। মুখ ও নাক খোলা রেখে হাঁচলে বা কাশলে সংক্রমিত লোকের ছড়ানো ভাইরাস বাতাসে থাকতে পারে দু-তিন ঘন্টা। এর পেছনে যে এইচ১এন১ ভাইরাস, এই ভাইরাস ঋতুকালে নিয়মিত ফ্লু ঘটাচ্ছে। 


তবে এইচ১এন১ প্রজাতির এবারের রূপটি ভিন্ন : এতে যে ডিএনএ রয়েছে, সেগুলো এসেছে মানুষ, পাখি ও শূকরের ফ্লু ভাইরাস-তিনটি থেকেই। ফ্লু ভাইরাসের এমন ক্ষমতা রয়েছে যে এরা পরস্পর জিন বিনিময় করতে পারে। এবং মনে হচ্ছে, এইচ১এন১ প্রজাতির নতুন এই রূপটি মানুষ, পাখি ও শূকরের ভাইরাসের জীবনের সংমিশ্রণে সৃষ্টি হয়েছে।

কীভাবে এল
বিভিন্ন প্রজাতি ফ্লু ভাইরাস আশ্রয় নেয় বিভিন্ন প্রাণীতে। ইনফ্লুয়েঞ্জা এ ভাইরাসের হতে পারে মিউটেশন বা পরিব্যক্তি। এটি হতে পারে দুভাবে : অ্যান্টিজেন প্রবাহ, যা দীর্ঘদিন চলে ঈষৎ এই মিউটেশন ঘটলে শরীর এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে। আবার অ্যান্টিজেন স্থানান্তরের মাধ্যমে এসেছে নতুন এইচ১এন১ প্রজাতি, যার বিরুদ্ধে মানুষ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেনি। সোয়াইন ফ্লু বলা হচ্ছে, কারণ শূকরকে শূরর, পাখি ও মানুষের ফ্লু ভাইরাস জিনের মিশ্রণের আধার বলে মনে করা হয়েছে। নতুন ফ্লু ভাইরাসে এসেছে এই তিনটি ভাইরাসের জিনের মিশ্রণে। নতুন ভাইরাসটি শূকর থেকে লাফিয়ে চলে এল মানুষের মধ্যে এবং দেখা গেল হাঁচি-কাশির মাধ্যমে মানুষের মধ্যে পরস্পর সমপ্রচারও ঘটেছে।


তবে ঋতুকালীন ফ্লুর উপসর্গ ও সোয়াইন ফ্লুর উপসর্গ মানুষের মধ্যে প্রায় একই রকম। কফ, কাশ, জ্বর, গলাব্যথা, শরীরে ব্যথা, শীত শীত লাগা ও ক্লান্তি-এসবই হলো উপসর্গ। ঋতুকালীন ফ্লু প্রতিবছরই জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। সারা পৃথিবীতে এতে মারা যায় আড়াই লাখ থেকে পাঁচ লাখ লোক। এখনো পর্যন্ত বেশির ভাগ সোয়াইন ফ্লুর প্রকোপ মৃদু, পাতলা মল কোনো কোনো ক্ষেত্রে হচ্ছে। তাই এই নিয়ে বড় রকমের আতঙ্কের কারণ নেই। সারা বিশ্বই যে এর প্রতিরোধে এখন অনেক বেশি প্রস্তুত।
সোয়াইন ফ্লু শব্দের প্রয়োগ এ জন্য যে, ধারণা করা হয়, শূকর, পাখি ও মানুষের জিনমিশ্রণের একটি আধার হিসেবে কাজ করেছে শূকর। বেশির ভাগ মানুষ ফ্লু রোগের এই নতুন প্রজাতিতে অন্তর্গত কিছু এন্টিজেনের মুখোমুখি কখনোই হয়নি। তাই এ রোগের বিশ্বমারি হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।

১৯১৮ সালে যে ফ্লু মহামারি হয়েছিল স্পেনে, এতে মারা গিয়েছিল ৫০ মিলিয়ন মানুষ (এইচ১এন১ ফ্লু)। ১৯৫৭ সালে এশিয়ান ফ্লুতে মারা যায় দুই মিলিয়ন লোক। এর মূলে ছিল এইচ২এন২ ভাইরাসের মানবরূপ, সঙ্গে মিশ্রিত ছিল বুনোহাঁসের একটি পরিব্যক্তি হওয়া প্রজাতির জিন। ১৯৬৮ সালে হলো যে প্রাদুর্ভাব, হংকংয়ে যা ধরা পড়ল, এইচ৩এন২ প্রজাতি ছিল এর মূলে। মারা গেল পৃথিবীজুড়ে এক মিলিয়ন লোক।
তবে বর্তমান ফ্লু রোগের বিরুদ্ধে সব দেশ ও সরকারকে জরুরি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে পরামর্শ দিচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। মহামারির মতো পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য তৈরি থাকতেও বলা হচ্ছে। তবে আশার কথা হলো, মানুষ যেহেতু প্রতিবছরই প্রায় এইচ১এন১ প্রজাতির মুখোমুখি হয়, সে জন্য এই নতুন রূপের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের সূচনায় মানুষ টিকে থাকতে পারবে। তবে এবার যারা আক্রান্ত, এরা প্রায় তরুণ। আর স্বাভাবিক ঋতুকালীন ফ্লু বেশি হয় বয়স্কদের মধ্যে।

এই ভাইরাস কি দমন করা যাবে?
বর্তমানে আকাশভ্রমণের যুগে দমন কাজ হবে খুবই কঠিন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলে, উড়োজাহাজের উড়ালকে বন্ধ করে লাভ নেই। আর যাত্রীদের স্ক্রিনিংও বেশি কার্যকর হবে না। কারণ, অনেক সংক্রমিত লোকের মধ্যে উপসর্গ থাকে না। অবশ্য এর চিকিৎসা আছে। ফ্লু চিকিৎসার ওষুধ টামিফ্লু ও রেলেনজা সূচনাকালে দিলে বেশ কার্যকর।

তাহলে কীভাবে নিরাপদ থাকবেন
সোয়াইন ভাইরাসের সংস্পর্শে এসেছে এমন কারও, যেমন মেক্সিকোর সে এলাকাবাসী বা সেখানে ভ্রমণ করে এলে এরা চিকিৎসকের শরাণাপন্ন হবেন। তবে ঘর থেকে বেরিয়ে না গিয়ে ঘরে থেকে সাধারণ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো। এতেও বিস্তার রোধ হবে।


প্রতিরোধ করতে হবে যেভাবে
&amp;bull;    যারা অসুস্থ, যাদের সর্দি জ্বর, কাশ রয়েছে, এদের সংস্পর্শ এড়ানো উচিত।
&amp;bull;    ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যwewa চর্চা জরুরি। হাঁচি দেওয়া ও কাশের সময় নাক-মুখ ঢেকে রাখা উচিত। টিস্যু দিয়ে হাঁচি বা কাশি ঢেকে ঝেড়ে ফেলে দেওয়া উচিত বর্জ্য পাত্রে।
&amp;bull;    একজন থেকে অন্যজনের মধ্যে সংক্রমণ রোধের জন্য হাত বারবার সাবানজল দিয়ে ভালো করে ধোয়া উচিত। আর হাত দিয়ে দরজার হাতল ধরলে তা ধোয়ার জিনিস দিয়ে ধুয়ে ফেলা উচিত।
&amp;bull;    যাদের ফ্লুর মতো অসুখ হয়েছে, রোগের বিস্তার এড়ানোর জন্য এরা নাক-মুখ ঢাকার জন্য মুখোশ ব্যবহার করবেন।

নতুন ভাইরাসটি শূকরদেহ থেকে লাফিয়ে চলে এল মানবদেহে এবং দেখা গেল, মানুষের শরীর থেকে অন্য মানুষের শরীরে পাওয়ারও ক্ষমতা রয়েছে। এ জন্যই স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের নজর এত বেশি আকৃষ্ট হয়েছে এই সংক্রমণের প্রতি। অন্যান্য ফ্লুর এই নতুন ভাইরাসও একজন মানুষ থেকে অন্য একজন মানুষের মধ্যে কফ, কাশ, হাঁচি বা সংক্রমিত স্থান স্পর্শ করার মাধ্যমে ঘটে এ স্থানান্তর। তবে ভাইরাসটি মানবদেহে কীভাবে ও কী কাজ করে তা এখনো ষ্পষ্ট নয়

ফ্লু ভাইরাস শীত প্রধান অঞ্চলে প্রকোপ ফেলার আশঙ্কা বেশি। উষ্ণ অঞ্চলে এর প্রকোপ পড়বে কম। তাই বিশ্বমারি শিগগিরই ঘটার আশঙ্কা কম। দেখা যাচ্ছে, মেক্সিকোতে প্রাদুর্ভার ঘটা সোয়াইন ফ্লু এক সপ্তাহের মধ্যে এসে পড়েছে এশিয়ায়। দক্ষিণ কোরিয়া, ইসরায়েলে রোগীর সন্ধান মিলেছে।
হংকংয়ে পাওয়া গেল সোয়াইন ফ্লুর রোগী, এশিয়ায় পদধ্বনি। পাওয়া গেল ডেনমার্কেও। মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগর অঞ্চলে এটি ছড়িয়ে পড়ার খবর এসেছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও যাতে এর সংক্রমণ না হয়, এ জন্য সম্ভাব্য বস ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রধান তিন বিমানবন্দর ও সমুদ্রবন্দরে নেওয়া হয়েছে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ।


বাংলাদেশে এখনো সোয়াইন ফ্লুতে আক্রান্ত কোনো রোগী পাওয়া যায়নি। এখন পর্যন্ত আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। জনসচেতনতা বাড়ানো এবং জরুরি সতর্কামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ১৪ দেশের আগত যাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য চালু হয়েছে স্বাস্থ্য সহায়তা ডেস্ক। এ ছাড়া এ অসুখের জন্য ওষুধও পর্যাপ্ত মজুদ হয়েছে বাংলাদেশে। তাই ভয়ের কিছু নেই, রোগ সম্পর্কে সচেতন থাকা ও সতর্ক থাকা জরুরি। আরেকটা সুখবর হলো, সোয়াইন ফ্লুতে সর্বপ্রথম আক্রান্ত মেক্সিকোর ভেরিক্রুজ রাজ্যের শহর লাগ্লোবিয়ার এক কক্ষের একটি খুপরিঘরে লালিতপালিত শিশু এদগার হার্নান্দেজ এখন সম্পূর্ণ সুস্থ। প্রতিরোধক টিকা আবিষ্কারের চেষ্টা চলছে, তবে তা জানুয়ারির আগে হবে বলে মনে হয় না। গত শুক্রবার হংকংয়ে প্রথম সোয়াইন ফ্লু রোগী শনাক্ত করা হলো। এশিয়ার সোয়াইন ফ্লু রোগী প্রথম জোরালোভাবে প্রতিপন্ন হলো।


গত বুধবার পর্যন্ত এ রোগের নাম ছিল সোয়াইন ফ্লু। বৃহস্পতিবার থেকে সোয়াইনের &amp;lsquo;এস&amp;rsquo; শব্দটি বাদ দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নতুন ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের নাম দিয়েছে ইনফ্লুয়েঞ্জা &amp;lsquo;এ&amp;rsquo; (এইচ১এন১)। সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনও এই নামটি বাদ দেওয়ার চিন্তাভাবনা করছে। সোয়াইন ফ্লু ভাইরাসটিকে শুরুতে যতটা ভয়ঙ্কর করা মনে হচ্ছিল, আসলে এটি ততটা ভয়ঙ্কর নয়। এটা সাধারণ ফ্লু ভাইরাসের মতোই এবং এ ব্যাপারে বিশ্বব্যাপী যে মহামারির আশঙ্কা করা হয়েছিল তা নাও ঘটতে পারে। তাই এ নিয়ে খুব বেশি আতঙ্কিত হওয়ার কারণ আপাতত নেই। সবাই সুস্থ ও নিরাপদ থাকুন, এই কামনা।


</description>
			<category>খবর - জীয়ন সংবাদ</category>
			<pubDate>Wed, 06 May 2009 09:25:48 +0100</pubDate>
		</item>
		<item>
			<title>সেরা ১০ আইটি সার্টিফিকেশন</title>
			<link>http://www.jeeon.com.bd/index.php?option=com_content&amp;task=view&amp;id=1280&amp;Itemid=603</link>
			<description>চাকরিতে আইটি সার্টিফিকেশনের অনেক প্রয়োজনীয়তা আছে, এসবের মূল্যায়নও যথাযথই হয়৷ এসবের গুরুত্ব অপরিসীম, চাকরির প্রমোশনে ও জব এনরিচমেন্টে আইটি সার্টিফিকেশনের বিকল্প নেই৷ তবে এসব আইটি সার্টিফিকেশন নিয়ে বিরক্তের শেষ নেই- একেক পক্ষ একে বিষয়াবলীকে গুরুত্ব দেয় অন্য পক্ষ তা আবার দেয় না৷ এসবের যথার্থ তালিকা নিরূপণ করা নিয়ে মতানৈক্য রয়েছে৷ বর্তমান সময়ে দশটি আইটি সার্টিফিকেশন সকল বিতর্কের উধের্ক্ষ থেকে সর্বশ্রেষ্ঠের তালিকায় রয়েছে সেগুলো হলো-

১. এমসিআইটিপি : এই নতুন প্রজন্মের 'মাইক্রোসফট সার্টিফাইড আইটি প্রফেশনাল ক্রিডেনশিয়াল'-যা হচ্ছে বর্তমানে মাইক্রোসফটের সবচেয়ে বড় প্রমাণ পত্র এটি সব ধরনের আইটি প্রফেশনালদের জন্য কার্যকরী ও বাস্তবিক৷ চাকরির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, এতে বিভিন্ন স্তরে পরীক্ষার মাধ্যমে পাস করে এ প্রমাণপত্র নিতে হবে৷ ডাটাবেজ ডেভেলপার, ডাটাবেজ এডমিনিস্ট্রেটর এন্টারপ্রাইজ মেসেজিং এডমিনিস্ট্রেটর, সার্ভার নিয়ন্ত্রক সবার জন্যই এটি প্রযোজ্য৷

২. এমসিটিএস : মাইক্রোসফট সার্টিফাইড টেকনোলজি স্পেশালিস্ট বা এমসিটিএস-আইটি স্টাফদের জন্য, বিশেষত ইনস্টলিং, রক্ষণাবেক্ষণ ও ট্রাবলশুটিং এ খুবই উপকারী৷ সুনির্দিষ্ট ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের জন্য এটি নকশা করা হয়েছে যেমন এসকিউএল সার্ভার বিজনেস ইন্টিলিজেন্স, ডাটাবেজ তৈরি, এসকিউএল সার্ভার রক্ষণাবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণে এটি অত্যাবশ্যকীয়৷

৩. সিকিউরিটি পস্নাস : কম্পিউটার সিকিউরিটি পস্নাস মূলত সিকিউরিটি প্রফেশনালদের জন্য ডিজাইনকৃত৷ এখানে নিরাপত্তা ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ নিশ্চয়তা প্রদান না করা গেলেও সময়োপযোগী শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে৷ যার মধ্যে রয়েছে সিস্টেম সিকিউরিটি, নেটওয়ার্ক অবকাঠামো, একসেস নিয়ন্ত্রণ, অডিটিং এবং অর্গানাইজেশনাল সিকিউরিটি বিষয়াবলী৷

৪. এমসিপিডি : মাইক্রোসফট সার্টিফাইড প্রফেশনাল ক্রিডেনশিয়াল মূলত ডেভেলপারের দক্ষতা, যোগ্যতা ও গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধির জন্য তিনসত্মরের সাজানো নতুন প্রজন্মের সার্টিফিকেট৷ এ কোর্সে ডেভেলপারের সফটওয়্যার সংক্রান সমস্যার সমাধান ও সফটওয়্যার তৈরির ক্ষমতা যাচাই ও আধুনিকায়ন করা হয় যাতে ভিজু্যয়াল স্টুডিও ২০০৮ এবং মাইক্রোসফট ডট নেট ফ্রেমওয়ার্ক ৩.৫ যথাযথ ব্যবহারে পারদর্শী হয়৷ এতে মূলত ব্যবসায়িক কার্যাদি সম্পাদনের জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞান দেয়া হয় আইটি কর্মকর্তাদের৷

৫. সিসিএনএ : সিসকো সার্টিফাইড ইন্টারনেট ওয়ার্ক এঙ্পার্ট বা সিসিআইই যদিও সিসকোর সব গৌরবের অংশীদার- তবে নতুন এই সিসকো সার্টিফাইড নেটওয়ার্ক এসোসিয়েট বা সিসিএনএ পূর্বের সকলের চেয়ে ভাল৷ সিসিআইই এর চেয়ে এটি বেশি আধুনিক ও সময়োপযোগী৷ সিসিএনএ টেকনো বিশেষজ্ঞদের নেটওয়ার্ক স্কিল উন্নয়নে সর্বাধিক সহায়তা সহ সর্বশেষ প্রযুক্তির নেটওয়ার্ক জ্ঞান প্রদান করবে৷

৬. এ পস্নাস : বর্তমানে একসাথে হার্ডওয়্যার ও সাপোর্ট স্কিল সম্পন্ন আইটি এঙ্পার্ট পাওয়া মুশকিল৷ এ বিষয়ে সম্যক জ্ঞান নিতে দরকার এপস্নাস সমন্নয় আইটি এঙ্পার্ট৷ বর্তমানে সাপোর্ট বিশেষজ্ঞদের প্রয়োজনীয়তার শেষ নেই৷ তাই ডেস্কটপ ইন্সটলেশন, সমস্যা নির্ধারণ ও নিরূপণ, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাপনা, পিসি বা নেটওয়ার্ক ঝামেলার সমাধা সহ বিভিন্ন মৌলিক সমস্যার সমাধান এ+ প্রফেশনালদের বিকল্প নেই৷

০৭. পিএমপি : প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান বা পিএমআই এর সবচেয়ে ভাল সার্টিফিকেশন হলো প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট প্রফেশনাল সার্টিফিকেশন৷ যা প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট প্রফেশনালদের জন্য খুবই উপকারী৷ এ সার্টিফিকেশনে প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট এঙ্পার্টদের দক্ষতার যাচাই সহ পস্ন্যান করা, নির্বাহী বাজেট ও টেকনো প্রজেক্ট পরিচালনা করার ব্যাপারে বাসত্মব সম্মত জ্ঞান দিয়ে পরীক্ষার মাধ্যমে তা যাচাই করা হয়৷ ফলে তা খুবই তাত্&amp;zwj;পর্যপূর্ণ তাই এই সার্টিফিকেশন প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট সেক্টরে সর্বাধিক স্বীকৃত প্রমাণ দলিল৷

৮. এমসিএসই/এমসিএসএ : মাইক্রোসফটের এই সার্টিফিকেশন উইন্ডোজ পস্নাটফর্মে কাজ করার জন্য দরকারী৷ তাছাড়া সর্বক্ষেত্রের কিছু বিশেষ ধারণা এই সার্টিফিকেশন থেকে নেয়া যায়৷ মূলত উইন্ডোজ ও উইন্ডোজ সার্ভার যাবত পস্নাটফর্মের উপর সম্যক জ্ঞান দেয়া সহ প্রাথমিক আরও অনেক বিষয় এর আওতাভূক্ত৷

৯. সিআইএসএসপি : সার্টিফাইড ইনফরমেশন সিস্টেম সিকিউরিটি প্রফেশনাল মূলত সিকিউরিটি এঙ্পার্টদের ডিজাইনকৃত৷ এটি আনর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত সিকিউরিটি সার্টিফিকেট যেখানে অপারেশন নেটওয়ার্ক ও ফিজিক্যাল সিকিউরিটির পাশাপাশি রিস্ক ম্যানেজমেন্ট, লিগ্যাল বিষয়াদি ও নিরাপত্তা সম্পর্কিত অন্যান্য বিষয়ে সম্যক বাসত্মব জ্ঞান দেয়া হয়৷

১০. লিনাঙ্ পস্নাস : লিনাঙ্ বিষয়ে আরও আপটুডেট জানতে লিনাঙ্ পস্নাস এর বিকল্প নেই৷ রেডহাট, এসইউএসই বা উবুনটু সিস্টেম নিয়ে যারা কাজ করেন তাদের জন্য এটা উপকারী৷

এ কথা সত্য যে এ দশটি সার্টিফিকেট সবচেয়ে আধুনিক যা প্রয়োজনীয় হিসেবে গণ্য করা হলেও এগুলোই সর্বাধিক ও সর্বশ্রেষ্ঠ থাকবে তা বলা মুশকিল৷ কেননা, এগুলোর পাশাপাশি এইচআইপিএএ বা সারবেনস্ এঙ্েেল (এসওএঙ্) সহ ভিওআইপি ও পিসি প্রস্তুতকারীদের সার্টিফিকেশনও অত্যন প্রয়োজনীয় ও তাত্&amp;zwj;পর্যপূর্ণ

আশরাফ সিদ্দিকী বিটু 
</description>
			<category>খবর - জীয়ন সংবাদ</category>
			<pubDate>Mon, 20 Apr 2009 09:28:38 +0100</pubDate>
		</item>
	</channel>
</rss>
